লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের ৩ নং চরমোহনা ইউনিয়নকে মাদক মুক্ত, চুরি ডাকাতি রোধে, আদর্শ, মডেল ও বৈষম্যমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। প্রতিটি মানুষের জানমাল নিরাপত্তা, মৌলিক অধিকার, ও আইনের সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই, সন্ত্রাসমুক্ত ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
বুধবার বিকেলে ৩নং চরমোহনা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সুমন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী গণমাধ্যম সাথে এমন কথা বলেছেন। তিনি বলেন, চরমোহনা ইউনিয়নকে আদর্শও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রথমত প্রতিটি ওয়ার্ডে, গ্রামে পাড়া মহল্লায় মাদক মুক্ত ও চুরি ডাকাতি, ইফটিজিং বন্ধ করতে হবে।
সকল অপকর্মের শিঁকড় হল মাদক। বৈষম্যমুক্ত, গরিব অসহায় কৃষক ও প্রবাসী পরিবারদের তাদের অধিকার তাদের ন্যায্য পাওনা সময়মতো সুষম বন্টন করার লক্ষে কাজ করতে হবে। প্রায় ২৫ হাজার ভোটার অধ্যুষিত জনবহুল এলাকায় রয়েছে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করতে চাই। এ ছাড়াও জনগণের ট্যাক্স ও ভ্যাট দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চলে। তিনি জনগণের উদ্দেশ্য বলেন, ইউনিয়ন বাসির ভোটের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধিত্ব তৈরি করবেন। যাহাতে করে ইউনিয়নের গরীবদুখি সহ নানান পেশাজীবীদের আমানত যাহাতে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। এই ইউনিয়ন পরিষদের আমার জেঠা লুৎফর রহমান, আমার চাচা বেলায়েত হোসেন ও আমার বাবা মৃত ছিদ্দিকুর রহমান দীর্ঘদিন জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জনগনের খেদমত করেছেন। আমরা চেয়ারম্যান পরিবারের সদস্য হিসেবে আপামর জনগনের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। সেই জন্য আপনাদের সহযোগীতা, সমর্থন একান্ত প্রয়োজন।
মোস্তাফিজুর রহমান সুমন আরও বলেন,স্কুল জীবন থেকে শুরু করে অদ্য পর্যন্ত বাংলাদেশের সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক মেজর মরহুম জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া রাজনৈতিক দল বিএনপি'র আদর্শকে বুকে ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি করে আসতেছি। আমাদের পুরো পরিবার বিএনপি'র রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিন থেকে জড়িত রয়েছে।
দলের দুঃসময় রাজনীতির মাঠে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম আছি থাকবো। কারা নির্যাতিত হয়েছি বহুবার কিন্তু কখনো হাল ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। এলাকার মানুষের সাথেই কেটে গেছে আমাদের জীবন এবং বাকিটা সময় ও অত্র ইউনিয়নের মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরো বলেন, ৩নং চরমোহনা ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি, উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। তিনি আরও বলেছেন আমাদের পরিবার রাজনীতি বেনিফিটের জন্য করেনি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এবং চার বারের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করি।
তাহারই ধারাবাহিকতায় দলের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। এ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, কৃষকদল ও সেচ্ছাসেবক দলের ৯টি ওয়ার্ডের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, তরুণ উদীয়মান রাজপথে লড়াকু সৈনিক, অত্যন্ত সৎ ব্যক্তি ও মানবিক তাঁর নেতৃত্বে ইউনিয়নে এগিয়ে যাবে সে প্রত্যাশা করেন দলীয় অঙ্গসংগঠনের অনেকেই। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক বর্তমান কয়েকজন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সুমনকে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তি বলে জানান। গত ৫ই আগস্টের পর থেকে ইউনিয়নে চুরি ডাকাতি, মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে গ্রাম পুলিশদেরকে সাথে নিয়ে রমজানের ঈদের পূর্বে চর মোহনা ইউনিয়নের প্রবেশ মুখে সিদ্ধার রাস্তায় এবং বাসাবাড়ি রাস্তায়, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ইউনিয়নে আসতে পারে সেই জন্য রাতের বেলায় পাহারা নিযুক্ত থাকেছেন তিনিও দলীয় নেতা-কর্মীরা। অত্র ইউনিয়ন বাসীকে তিনি বলেছেনে আপনারা টেনশন মুক্তভাবে দরজস মেলে ঘুমান ইউনিয়নের চুরি ডাকতি আর হবে না আমি সেই লক্ষ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করছি। কারন অত্র ইউনিয়নের বেশিভাগ পরিবারই প্রবাসে থাকে তাদের স্ত্রী ছেলে মেয়েরা যেনো নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে এবং পড়ালেখা করতে কোন রকম যেনো প্রতিবন্ধকতা না হয় সেই ব্যবস্থা আমরা করেছি।
তিঁনি প্রতিবছর ন্যায় এবারও পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সাধ্যমত দলমত উধ্বে: থেকে প্রায় শতাধিক দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারন পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন। গরিব অসহায় মেয়েদেরকে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সাথে জড়িত রয়েছেন।
লগইন
ছবি- সংগৃহীত
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!