logo

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

logo

BDCN24 হল সংবাদ, মতামত এবং বিনোদনের জন্য একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এটি পাঠক এবং শ্রোতাদের রাখার জন্য একটি ২৪/৭/৩৬৫ এর প্ল্যাটফর্ম

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

হোম - ধর্ম ও জীবন- বমি করলে কি রোজা ভেঙে যায়?

বমি করলে কি রোজা ভেঙে যায়?

বমি করলে কি রোজা ভেঙে যায়? | ছবি সংগ্রহীত

রমজান মাসে রোজা সহিহ রাখার জন্য ছোট ছোট মাসআলা জানা জরুরি। এ বিষয়ে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো—রোজা অবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙে কি না।


ইসলামি শরিয়াহর দৃষ্টিতে মূলনীতি হলো, রোজা ভঙ্গের প্রধান কারণ পানাহার বা তার সমতুল্য কিছু। তাই অনিচ্ছাকৃত (নিজে থেকে) বমি হলে রোজা ভাঙে না—বমির পরিমাণ কম বা বেশি যাই হোক না কেন।


কখন রোজা ভাঙবে না

হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে:

“যার অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হয়, তার ওপর কাজা নেই (রোজা ভাঙে না)।”
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস ৭২০

অতএব, হঠাৎ বমি হয়ে গেলে রোজা সহিহ থাকবে, কাজা বা কাফফারা কিছুই লাগবে না।


কখন রোজা ভেঙে যাবে

ফিকহের কিতাবগুলোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে:

ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করানো (নিজে চেষ্টা করে বমি আনা) → রোজা ভঙ্গ হবে, কাজা ওয়াজিব
বমি মুখে এসে গেলে তা ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেলা → রোজা ভঙ্গ হবে, কাজা ওয়াজিব

এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কাফফারা ওয়াজিব হয় না, কারণ এটি পানাহারের সরাসরি কাজ নয়; তবে ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গের অন্যান্য কারণের মতো নয়।


অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে

যদি বমির পর ব্যক্তি এতটাই দুর্বল বা অসুস্থ হয়ে পড়েন যে রোজা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর হয়, তাহলে রোজা ভেঙে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা পানাহার করা বৈধ। পরে সুস্থ হলে শুধু কাজা আদায় করতে হবে।


অজ্ঞান বা বেহুশ হলে

সাময়িক অজ্ঞান হলে, যদি রোজা ভঙ্গের কোনো কাজ সংঘটিত না হয়, তাহলে রোজা ভাঙে না। তবে চিকিৎসাজনিত কারণে ওষুধ বা স্যালাইন নিতে হলে পরে কাজা করতে হবে।

মন্তব্য করুন ( 0 )

মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!

আরও খবর দেখুন

বমি করলে কি রোজা ভেঙে যায়?

মইনুল ইসলাম গাজী, ইসলামিক প্রতিনিধি

image

রমজান মাসে রোজা সহিহ রাখার জন্য ছোট ছোট মাসআলা জানা জরুরি। এ বিষয়ে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো—রোজা অবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙে কি না।


ইসলামি শরিয়াহর দৃষ্টিতে মূলনীতি হলো, রোজা ভঙ্গের প্রধান কারণ পানাহার বা তার সমতুল্য কিছু। তাই অনিচ্ছাকৃত (নিজে থেকে) বমি হলে রোজা ভাঙে না—বমির পরিমাণ কম বা

বেশি যাই হোক না কেন।


কখন রোজা ভাঙবে না

হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে:

“যার অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হয়, তার ওপর কাজা নেই (রোজা ভাঙে না)।”
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস ৭২০

অতএব, হঠাৎ বমি হয়ে গেলে রোজা সহিহ থাকবে, কাজা বা কাফফারা কিছুই লাগবে না।


কখন রোজা ভেঙে যাবে

ফিকহের কিতাবগুলোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে:

ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করানো (নিজে চেষ্টা করে বমি আনা) → রোজা ভঙ্গ হবে, কাজা ওয়াজিব
বমি মুখে এসে গেলে তা ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেলা → রোজা ভঙ্গ হবে, কাজা ওয়াজিব

এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কাফফারা ওয়াজিব হয় না, কারণ এটি পানাহারের সরাসরি কাজ নয়; তবে ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গের অন্যান্য কারণের মতো নয়।


অসুস্থতা বা দুর্বলতার

আপনার এলাকার সংবাদ জানতে ও জানাতে আমাদের সাথেই থাকুন। Email: [email protected], Phone: 01766004470, Site: www.bdcn24.com