আব্দুল কাদির, বিশেষ প্রতিনিধি:
দেশে দিন দিন বাড়ছে তালাকের হার, যা সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তালাকের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা, পারস্পরিক অবিশ্বাস, অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যবোধের অবক্ষয়কে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তালাকের প্রভাব শুধু দম্পতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সমাজের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভাঙা পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুদের মধ্যে অনিরাপত্তা ও হতাশা বাড়ার ঝুঁকি থাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, অবাস্তব প্রত্যাশা এবং পারিবারিক সহনশীলতার অভাবও এ সমস্যাকে জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য মতবিরোধ বড় হয়ে বিচ্ছেদের দিকে গড়াচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব সাধারণত উভয় পক্ষের আচরণ ও পরিস্থিতির ফল। তাই সমস্যার সমাধানে পারস্পরিক সম্মান, ধৈর্য ও আলোচনার গুরুত্ব অপরিসীম।
ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের মতে, তালাককে শেষ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। পরিবারে বয়োজ্যেষ্ঠদের ভূমিকা, কাউন্সেলিং ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রবণতা কমানো সম্ভব।
লগইন
সমাজে বাড়ছে তালাকের প্রবণতা: উদ্বেগ ও সমাধানের তাগিদ
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!