পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীপক মন্ডল কেরির ট্যাবলেট খেয়ে এবং ফাহিমা আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সোমবার রাতে উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে কেরির ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ
হয়ে পড়েন দীপক মন্ডল। পরে তার মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীপক পারিবারিকভাবে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। ঋণের চাপ সামলাতে না পেরে মানসিকভাবে হতাশ হয়ে তিনি কীটনাশক জাতীয় কেরির ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
অন্যদিকে, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ লুধুয়া গ্রামের নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে ফাহিমা আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সে ওই গ্রামের সায়েদ আলী কারির মেয়ে।
পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, ফাহিমা মোবাইল ফোনে টিকটক করত। তার ব্যবহৃত ফোনটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর নতুন মোবাইল কিনে দেওয়ার জন্য বাবা-মায়ের কাছে আবদার করে সে। পরিবার থেকে পরে মোবাইল কিনে দেওয়ার কথা বলা হলেও এতে বিলম্ব হওয়ায় সে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
দুটি ঘটনাতেই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে এসব ঘটনায় কোনো অভিযুক্ত বা গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। উভয় ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে দুজনই আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
লগইন
মতলব উত্তরে পৃথক ঘটনায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!