নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা এলাকার তাসীর উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার নিয়মিত এক শিক্ষক ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণে যাওয়ায় তার পরিবর্তে মাহবুবুর রহমানকে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের বলাৎকার করেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৮ আগস্ট। ওই দিন বিকেলে মাদ্রাসায় থাকা নিজের আট বছর বয়সী সন্তানকে দেখতে যান এক শিশুর মা। এ সময় শিশুটি মাকে জানায়, আগের রাতে মাদ্রাসাশিক্ষক মাহবুবুর রহমান তাকে বলাৎকার করেছেন।
বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে শিশুটির কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। পরে সে ঘটনার কথা জানায়। এরপর মাদ্রাসায় থাকা আরও পাঁচ শিশুছাত্রও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ করে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মাহবুবুর রহমান আত্মগোপনে চলে যান। পরে ভুক্তভোগী এক শিশুর মা ৫ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোববার ভোরে গাজীপুরের গাছা থানার কলাগাছর এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, ছয় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে এক শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত ছয় শিশুছাত্রকে বলাৎকারের কথা স্বীকার করেছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
লগইন
ছয় শিশুছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!